টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, তলিয়ে গেছে কৃষিজমি, মাছের ঘের
টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি ঢলে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, পটুয়াখালী ও কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হাজার হাজার একর কৃষিজমি ও মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) বৃহস্পতিবারসহ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকার অধিকাংশ কৃষিজমিতে পানি জমে রয়েছে। কোথাও আউশ ধান আংশিক, আবার কোথাও সম্পূর্ণ পানির নিচে চলে গেছে। অনেক জমিতে পানি এখনও বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করায় কৃষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকা : মুষলধারে বৃষ্টি ও পূর্ণিমার জোয়ারের কারণে বাঁশখালী, আনোয়ারা ও হাটহাজারী অঞ্চলে হাজার হাজার মাছের ঘের ও কৃষিজমি তলিয়ে গেছে। কর্ণফুলীর উপকূলীয় এলাকায় বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট জলমগ্ন।
নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর : টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে নোয়াখালী সদর, হাতিয়া, লক্ষ্মীপুর সদর ও রায়পুরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে ডুবেছে। রোপা আমনের বীজতলা ও সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দক্ষিণাঞ্চল (খুলনা, পটুয়াখালী ও কক্সবাজার): পটুয়াখালীর বাউফল, খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা এবং কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে শত শত মাছের ঘের ও ফসলের মাঠ প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল (খুলনা, পটুয়াখালী ও কক্সবাজার): পটুয়াখালীর বাউফল, খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা এবং কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে শত শত মাছের ঘের ও ফসলের মাঠ প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
টানা জলমগ্নতার কারণে উদ্ভিদের শিকড়ে পর্যাপ্ত বাতাস ও অক্সিজেন চলাচল ব্যাহত হয়, যা মাটিতে থাকা পুষ্টি উপাদান ধুয়ে ফেলে এবং ফসল নষ্ট করে। আমনের বীজতলা পচে যাওয়া ও সবজি খেত নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
পানি দ্রুত নামতে না পারলে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ব্লক হয়ে থাকা ড্রেন বা স্লুইস গেট পরিষ্কার ও সচল করা জরুরি।

সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত








