শিরোনাম:

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে এক পর্যালোচনা সভায় তিনি কর্মসংস্থান, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে প্রতিবেদনে তুলে ধরতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অগ্রাধিকার দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলোকে  উপস্থাপনের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান ।

অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান; পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়াল, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সব ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

এবার অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ।

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। ছবি : হিন্দুস্থান টাইমস

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন। গত ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ অভিযানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছররা (পেলেট) গুলি চালানো এবং দমন-পীড়নের নির্দেশ সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসেছিল বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দীপ বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের রক্ত ঝরানো হয়েছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া সম্ভব নয়। দীপ বলেন, আমি মনে করি, তার (অমিত শাহের) পদত্যাগ করা উচিত।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী একই অভিযোগ তুলে অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করেন একদিন পর।

সিজেপি বিদেশি অর্থায়ন পেয়েছে— এমন অভিযোগও অভিজিৎ দীপ খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, যদি সত্যিই আমরা বিদেশি অর্থ পেয়ে থাকি, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেও অমিত শাহ তা আটকাতে না পারেন, তবে সেটাও তার ব্যর্থতা। তাহলে নিজেকে কী ধরনের ‘চাণক্য’ বলবেন? সেক্ষেত্রেও তার পদত্যাগ করা উচিত।

দীপকে আরও অভিযোগ করেন, তাকে এবং তার পরিবারকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে।

অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বাবা-মাকেও বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দলে যোগ দিন, না হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় সিলেটে এবার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় সিলেটে এবার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ। ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে দুই দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীস্থ পৌরসভার গেটের সামনের রাস্তায় এবং পরবর্তীতে পাঁচ মাইল বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই হামলায় দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িসহ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়েছে।

ঘটনার পর দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম লেখেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা অডিটোরিয়ামে জুলাই আন্দোলনে নিহত সাত শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে নেতাকর্মীরা বের হওয়ার সময় তাদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এ সময় গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায় বলে দাবি করেছে দলটি।

সার্জিস আলম ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রশাসনের আচরণ পক্ষপাতমূলক ছিল। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এই একই দিন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক আলোচনা সভায় বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের হত্যার বিচার সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারও শেষ করতে হবে। বিচার ও সংস্কার ছাড়া দেশের কারও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নেই।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

আগস্টের শেষ সপ্তাহই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যাবে নতুন কর্মী

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মাহদী আমিন জানান, নতুন কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য হবে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমিয়ে আনা। এজন্য বোয়েসেলের মাধ্যমে স্বল্প খরচে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন কর্মীরা মালয়েশিয়ায় আসা শুরু করবেন এবং পর্যায়ক্রমে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, সরকার শ্রমবাজারকে সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বদ্ধপরিকর। সাধারণ কর্মীরা যাতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় আসতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতেও দুই দেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি বিষয়গুলো দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চলমান আলোচনা শুধু নতুন কর্মী পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার এমন একটি কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে যোগ্য কর্মীরা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং অযৌক্তিক খরচ বা দালালচক্রের হয়রানির শিকার হবেন না।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোর ফল বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে।

 

×