শিরোনাম:

ভারতজুড়ে ঈদুল আজহা পালিত

ভারতজুড়ে ঈদুল আজহা পালিত

সাম্য, ত্যাগ ও মানবিকতার অনন্য বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার গোটা ভারতে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এই দিনটি ‘কোরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ভারতের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা উদযাপন করছেন এই পবিত্র উৎসব।

এদিন সকাল থেকে কলকাতার নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ, পার্ক সার্কাস ময়দান সহ বিভিন্ন মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।

ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ কলকাতায় ঈদ-উল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রথমবারের মতো রেড রোডের বদলে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। হাজার হাজার মুসল্লী পবিত্র ঈদ-উল-আজহার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তারা একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কলকাতার রেড রোডের ঈদের জামাত দেশের অন্যতম বৃহৎ জামাত হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর সহস্রাধিক মুসল্লির উপস্থিতিতে সেখানে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতা আসার পর এবার সেই ঐতিহ্যের নতুন ঠিকানা ছিল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড।

প্রথমবারের আয়োজনে ব্রিগেড ময়দানে নামাজের জন্য তৈরি করা হয়েছিল বিশেষ ইমামতি মঞ্চ। গোটা মাঠজুড়ে বসানো হয়েছিল শতাধিক লাউডস্পিকার, যাতে দূরবর্তী মুসল্লিরাও সহজে খুতবা ও নামাজে অংশ নিতে পারেন। মুসল্লিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই প্রথম ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ছিল অস্থায়ী শৌচাগার ও গাড়ি পার্কিংয়ের বিশেষ ব্যবস্থা।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যৌথভাবে কাজ করেছে কলকাতা পুলিশ এবং খিলাফত কমিটি। খিলাফত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইশতেক আহমেদ জানান, রেড রোড মুসলিম সম্প্রদায়ের আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ১৯২০ সাল থেকেই খিলাফত কমিটি কলকাতায় ঈদের নামাজের আয়োজন করে আসছে। পরে ১৯৭৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে রেড রোডে বৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে শুরু করে এবং ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেই ধারাই বজায় ছিল। তবে এবার নতুন সরকারের আমলে সেই আয়োজন স্থানান্তরিত হয়েছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।

নতুন এই ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়েছেন বহু নামাজি। তাদের বক্তব্য, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডও কলকাতার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনার সাক্ষী এই মাঠে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঈদুল আজহার প্রধান জামাত, যা এবারের ঈদকে আরও বিশেষ তাৎপর্য এনে দিয়েছে।

এদিকে কলকাতা ছাড়াও রাজ্যটির বিভিন্ন জেলাতেও এই দিনটি পালিত হচ্ছে। এউপলক্ষে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।

মুসলিমদের কাছে এই দিনটি ত্যাগের। স্বভাবতই নামাজ পাঠের পরই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা নিজেদের সাধ্যমত পশু কোরবানি দেন। পশ্চিমবঙ্গে পশু কোরবানির ক্ষেত্রে গুরু কোরবানির উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিতর্ক এড়াতে গরুর বদলে ছাগল, দুম্বা কুরবানী দিয়েই ঈদ পালন করেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বাই উত্তরপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, জম্মু কাশ্মীর, বিহার সহ দেশের প্রতিটি জায়গায় যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ঈদ-উল-আযহা।

ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদরা, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজনৈতিক নেতারা। ঈদুল আজহা উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডালে মোদি লেখেন ‘ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা! এই উপলক্ষটি আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও আনন্দের চেতনাকে আরও গভীর করুক। সকলের সাফল্য ও সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছি।’

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভারতের বেশিরভাগ অংশে বকরিদ উদযাপিত হলেও, জম্মু ও কাশ্মীরের কিছু অংশসহ কয়েকটি অঞ্চলে সৌদি আরবের সাথে সমন্বয় রেখে বুধবার এই উৎসবটি পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শেভরন

ভারতজুড়ে ঈদুল আজহা পালিত

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মার্কিন বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান শেভরন (Chevron)। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও তারা বিনিয়োগ বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেভরনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক আনন্দ’র ‘প্রিয় কবিতা’ নিয়ে আসছে সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম

ভারতজুড়ে ঈদুল আজহা পালিত

তারেক আনন্দ, আতিয়া আনিসা ও তামিম ইসলাম ।। ছবি : সংগৃহীত

গীতিকার আর সঙ্গীতশিল্পীর জুটির সাফল্যের সংবাদ আমাদের সংগীত ভূবনে বিরল নয়। তারই ধারাবাহিকতায় এসময়ের জনপ্রিয় গীতিকার তারেক আনন্দ ও সংগীত শিল্পী তামিম ইসলাম নিয়ে এসেছে অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তাদের দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত গান প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দ্বৈত গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। ইতিপূর্বে কণ্ঠশিল্পী কনার সঙ্গে ‘ঠোঁটপেন্সিল’, নিশ্চুপ বৃষ্টির সঙ্গে ‘ঘুম ঘুম চোখ’, নদীর সঙ্গে ‘মিশে আছি দুজনেই’ এবং আতিয়া আনিসার সঙ্গে ‘অবহেলা’ গান করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তামিম।

এবার প্রকাশ পেল তারেক আনন্দ’র লেখায় অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তামিমের নতুন দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’। তারেক আনন্দ’র গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তামিম নিজেই। গানটি শোনা যাচ্ছে তামিম ইসলামের ইউটিউব চ্যানেলে।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম নতুন গান নিয়ে বলেন, ‘আমার ইতিপূর্বে প্রকাশিত গানগুলোর জন্য শ্রোতাদের কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা ও প্রশংসা পেয়েছি। এবার অবন্তী সিঁথি’র সঙ্গে গাইলাম তারেক আনন্দ ভাইর গান। আমি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তাঁর চমৎকার গায়কির সঙ্গে মিলিয়ে গানটি ইতিমধ্যে সবার পছন্দ তালিকায় চলে এসেছে।’

ছায়ানট থেকে নজরুলসংগীতের কোর্স সম্পন্ন করা তামিম সংগীতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, প্রিয় কবিতার মত ভালো গান পেলে নিয়মিত গান করে যেতে চান। তার নিজে স্টুডিওতে রয়েছে সংগীতের নানা আয়োজন।

তামিম জানান, নিজের সুরে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০টি গান করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত গানের সংখ্যা প্রায় ৭০টি। সংগীতে আরও এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এই শিল্পী।

গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, গানটা লেখার পরপরই মনে হয়েছিল গানটা তামিমের কন্ঠে ভালো যাবে। তামিমের সুর ও মিউজিকে গানটি প্রাণ পেয়েছে।

তারেক আরও বলেন , আমার আরও আনন্দ লাগছে তামিমের ইউটিউবে গানটি প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেই আমাকে ব্যক্তিগত ভাবেই প্রশংসা করছে , শিল্পীরা গান চাইছে।

‘কোন সীমান্ত, কোন ডিসেম্বরে আসবেন পরিষ্কার করুন’

ভারতজুড়ে ঈদুল আজহা পালিত

জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন সীমান্ত ও কোন ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন তা পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে দুলু বলেন, “কোন ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবেন, তা পরিষ্কার করুন। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর, নাকি ২০৫০ সালের ডিসেম্বর—তা পরিষ্কার করুন।” পাশাপাশি তিনি কোন সীমান্ত ব্যবহার করে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়েও ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা কোন সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরবেন, সে ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুলু বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। ছাত্র-জনতা, জুলাইযোদ্ধা এবং গত ১৭ বছরে গুম-খুনের শিকার পরিবারসহ আমরা সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’

দুলু বলেন, ‘গত ১৭ বছরের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। এবার আপনাকে কাশিমপুর কারাগারে যেতে হবে। বাংলাদেশের মানুষের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

হুইপ বলেন, হুমকি-ধমকি দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে দুলু বলেন, নির্বাচনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সকাল ৯টা থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত কাজ করছেন। তার কোনো প্রটোকল নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

দুলু বলেন, স্বাধীনতার পর তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি সরকারি নিয়মনীতি ও প্রটোকলের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অতীতে প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে দুলু আরও বলেন, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে। অসহায় নারীদের জন্য চালু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত ছয় মাসে কোনো ব্যক্তি গুম হননি বলেও দাবি করেন হুইপ। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখিয়ে আটক করে গুম করার ঘটনাও ঘটেনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি বিধ্বস্ত দেশকে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং ধীরে ধীরে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে দুলু বলেন, ‘নামাজের সময় একটি মিছিল করেছে। ওরা নামাজও পড়ে না, আল্লাহকেও বিশ্বাস করে না।’

×