আজ অভিনেতা আবদুর রাতিন’র ৭৪তম জন্মবার্ষিকী
অভিনেতা আবদুর রাতিন ও তার ভাই সাংবাদিক অনজন রহমান
বাংলাদেশে অভিনয়ের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, গুণী অভিনেতা আবদুর রাতিন’র আজ ৭৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৫২ সালের ১৩ জুলাই পুরান ঢাকার নারিন্দার এক সংস্কৃতিমনা পরিবারে তাঁর জন্ম। বাবা চলচ্চিত্রের সূচনালগ্নের খ্যাতিমান অভিনেতা আবদুল মতিন এবং মা আয়শা খাতুন। ভাই-বোনের মধ্যে রাতিন ছিলেন তৃতীয়।
শৈশবে ভীষণ ডানপিটে ছিলেন রাতিন। বন্ধুদের সাথে বা”জি ধরে চলন্ত ট্রেনে উঠে পড়া কিংবা টিকিট ছাড়াই গেন্ডারিয়া-তেজগাঁও-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন ভ্রমণ ছিল তাঁর নিত্যদিনের অ্যাডভেঞ্চার !
স্কুল ফাঁকি দেওয়ার দারুণ সব গল্প পেরিয়ে তিনি গ্রাজুয়েট হাই স্কুল থেকে এসএসসি, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জগন্নাথ কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।

রূপালী পর্দার অবিস্মরণীয় যাত্রা :
১৯৭০ সালে মুস্তাফা মেহমুদ পরিচালিত ‘নতুন প্রভাত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর তিনি উপহার দিয়েছেন অজস্র কালজয়ী সিনেমা।
তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্র :
🔹 দেবদাস
🔹 বড় ভালো লোক ছিল
🔹 কেয়ামত থেকে কেয়ামত
🔹 প্রতিজ্ঞা
🔹 অবুঝ হৃদয়
🔹 এখনো অনেক রাত
🔹 মোঘল এ আযম ইত্যাদি
টিভি প্রযোজক আবু জাফর সিদ্দিকীর হাত ধরে ‘রত্নদ্বীপ’ নাটকের মাধ্যমে বিটিভিতে তাঁর অভিষেক হয়। ১৯৭২ থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক (২০০+) টিভি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।
উল্লেখযোগ্য নাটক : সকাল সন্ধ্যা, রূপালী প্রান্তর, মহুয়ার মন, সুজন বাদিয়ার ঘাট, অস্থির পাখিরা, হিরামন (ধারাবাহিক)।
দীর্ঘদিন লিভারের জটিলতা এবং ২০১৭ সালে মা’রাত্মক চিকুনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে, চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ১৯ জুলাই, ২০১৭ তারিখে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় অঙ্গনে আবদুর রাতিনের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা

সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত








