শিরোনাম:

অবশেষে মুখ খুললেন ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ফার্নান্দেস

অবশেষে মুখ খুললেন ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ফার্নান্দেস

২০২০ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর অবশেষে নীরবতা ভেঙে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ।

৯৩ মিনিটে স্পেনের পাও কুবারসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের মাধ্যমে লাল কার্ড পেয়েছিলেন তিনি, যার ফলে আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত তারা ১-০ গোলে ম্যাচটি হেরে যায়।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন এনসো ফার্নান্দেস। তার ভাষায়, দেশের জার্সি পরার চেয়ে বড় সম্মান তার জীবনে আর কিছু নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় ফার্নান্দেস লিখেছেন, সময় যত যায়, ততই বোঝা যায় একটি ফলাফলের চেয়েও বড় কিছু আছে।

তিনি আরও লেখেন, বছরের পর বছর এই দলটি আর্জেন্টিনাকে সর্বোচ্চ মর্যাদার সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এই দল শিখিয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা মানেই শুধু জেতা নয়, বরং জার্সির জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেওয়া এবং কখনো হাল না ছাড়া।

ফার্নান্দেস বলেন, এমন একটি দলের অংশ হতে পারা আমার জন্য গর্বের। এই দল সব সময় নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে লড়েছে এবং গর্ব, বিনয় ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে দেশের মর্যাদা রক্ষা করেছে।

সমর্থকদের উদ্দেশে ফার্নান্দেস লেখেন, সব সমর্থককে ধন্যবাদ। প্রতিটি ম্যাচে আমাদের পাশে থাকার জন্য, নিঃস্বার্থ সমর্থনের জন্য এবং বিশ্বের যেখানেই খেলি না কেন, আমাদের ঘরের অনুভূতি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ।

লাল কার্ডের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান। ম্যাচ পরবর্তী এই প্রথম মন্তব্যে তিনি নিজের বিতর্কিত লাল কার্ড পাওয়া বা বহিষ্কারের বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ করেননি।

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, গবেষণা ও পণ্য বৈচিত্র্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহ্দী আমিন

অবশেষে মুখ খুললেন ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ফার্নান্দেস

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘কৃষিই কৃষ্টি-কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাদ্যে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, তা বাস্তবায়নে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন যাত্রার সঙ্গে সরকারেরও অনেক প্রত্যাশা জড়িয়ে রয়েছে। তাদের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন দেশের কৃষি এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মধ্যেই বর্তমান গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকার দেশের সব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু হয়েছে। চার বছর পর তারা স্নাতক সম্পন্ন করলেও সরকারের ধারাবাহিকতার মধ্যেই সেই শিক্ষাজীবন শেষ হবে। এ সময়ে সরকারের নীতিমালা, পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন-ভাবনা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশ গঠনে প্রতিফলিত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ ও সুলভ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি এবং সেচ, বীজ, সার ও কৃষিযন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নগদ অর্থ ও ঋণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের আগের অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় কৃষি উন্নয়নের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কৃষিখাতকে শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার যে অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা অনুসরণ করেই কাজ করছে।

বাংলাদেশকে খাদ্যে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করা, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং তরুণদের কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু কৃষির উৎপাদনশীলতা ও বহুমুখীকরণ বৃদ্ধি নয়, বরং কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ পৌঁছে দেওয়া এবং সেচ, বীজ, সার, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্রসহ সব ধরনের কৃষি উপকরণ কৃষকদের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা।

জনবান্ধব পুলিশ গঠনে পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবশেষে মুখ খুললেন ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ফার্নান্দেস

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা সনদ ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা সততা, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের সাথে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের কর্মের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। অন্যদিকে, যারা আইন-বিধি লঙ্ঘন করে জনসেবায় ব্যাঘাত ঘটাবেন বা অপকর্মে লিপ্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি তিরস্কারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং সমসাময়িক ও রাজনৈতিক নানা বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (ওঊউ) উদ্ধার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, উল্টো রথযাত্রা বা কোনো বিশেষ ধর্মীয় উৎসবকে লক্ষ্য করে এটি করা হয়েছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই, বরং এটি কাকতালীয়। তিনি বলেন, ডিএমপি’র বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তৎপরতায় তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতির মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পত্র সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেকোনো নাগরিক বা রাজনৈতিক দলের মতামত ও প্রতিবাদ প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি যে সাংবিধানিক সুরক্ষা (ইমিউনিটি) পেয়ে থাকেন, তা বলবৎ থাকবে। তাছাড়া আইন অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতিকে এসএসএফ (ঝঝঋ), পিজিআর (চএজ) ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।

এ বছর পুলিশ সপ্তাহে পদক প্রদান অনুষ্ঠান না হওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা প্রাথমিক তালিকায় কিছু কারিগরি ত্রুটি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় তা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যোগ্যদের মাঝে বিশুদ্ধ তালিকা অনুযায়ী পুলিশ পদক প্রদান করা হবে।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থাপনা করেন পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) মো. কামরুল আহসান।

অনুষ্ঠানে দুটি ভিন্ন সাহসিকতা, প্রশংসনীয় ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নয় জন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও ঢাকা রেলওয়ে থানার যৌথ প্রচেষ্টায় ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধারের ঘটনায় যে সাতজন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়, তাঁরা হলেন যথাক্রমে ঢাকা রেলওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জয়নাল আবেদীন, এএসআই (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও মোঃ রাজিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মোঃ শাহীনুর ইসলাম ও আজমীর হোসেন এবং পুলিশ টেলিকম সংস্থার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল মোঃ বুলবুল আহমেদ।

ট্রাফিক সার্জেন্ট কর্তৃক ছিনতাইকারী গ্রেফতারের ঘটনায় পুরস্কৃত দু’জন পুলিশ সদস্য হলেন যথাক্রমে ডিএমপি’র ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনের সার্জেন্ট এম এস মাহমুদ আলি ও সার্জেন্ট মোঃ তুহিনুর রহমান তুহিন।

শাকিব খানের পুরোনো প্রেমের কথা ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’

অবশেষে মুখ খুললেন ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ফার্নান্দেস

‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’। ছবি : চ্যানেল আই..

পূর্ণিমার উপস্থাপনায় চ্যানেল আইতে ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’ নামের টক শোতে শাকিব খান বললেন তার পুরোনো প্রেমের কথা । সেখানে চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও কথা বলেন শাকিব। সেই অনুষ্ঠানে নিজের অপূর্ণ প্রেমকাহিনির কথা শেয়ার করেন এই নায়ক।

চিত্রনায়ক শাকিব খান বলেন, গুলশানের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন । তাঁকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন। তবে সেই সম্পর্ক বেশি দূর এগোয়নি। সম্পর্কের পরিণতি না হলেও সেই ভালোবাসা ভুলতে পারেননি শাকিব এখনো। মাঝেমধ্যেই সেই সম্পর্কের কথা মনে হলে অনুশোচনা হয় তাঁর। চ্যানেল আইয়ের এক টক শো ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’তে এসে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন কিং খান।

শাকিবের এই প্রেমের কথা জানতেন পূর্ণিমা। শুটিংয়ের অবসরে পূর্ণিমার সাথে নিজের ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতেন শাকিব। পূর্ণিমাকে আগেও জানিয়েছিলেন সেই তরুণীকে বিয়ে করার পরিকল্পনার কথা।

পূর্ণিমা ওই সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিতেই শাকিব বলতে শুরু করলো, ‘আমার বাসার কাছাকাছি ছিল ওর বাড়ি। দেখতেও খুব সুন্দরী ছিল। আমাকে খুব ভালোবাসত, আমিও ভালোবাসতাম। মনে মনে তাকেই বিয়ে করতে চেয়েছি। ব্যাপারটি আমার খুব অবাক লাগে। মাঝেমধ্যে একা থাকার সময় ভাবি—আমি যেতে চাইলাম কোথায়, কার সাথে থাকতে চাইলাম, ভালোবাসলাম কাকে আর গেলাম কোথায় ? ’

শাকিব খান প্রেম ভেঙে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, বেশি ভালোবাসা থাকলে আমরা ছোট ছোট বিষয়ে অভিমান করি। একে অপরের প্রতি খুব মান-অভিমান হয়। ভালোবাসা বেশি ছিল, তাই ছোট ছোট বিষয়েও রাগ করে ফেলতাম। আসলে কী থেকে কী হয়ে গেল, বুঝে উঠতে পারিনি। বিষয়টি আমার কাছে মিস্ট্রি থেকে গেছে।

উপস্থাপক চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা এরপর জানতে চান, সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় তিনি রিগ্রেট ফিল করেন কি না। শাকিব খানের সোজাসাপটা উত্তর, ‘একদম, খুব।’ এ সময় শাকিবকে কিছুটা আবেগপ্রবণ হতে দেখা যায়।

এখনো ওই তরুণীকে মিস করেন কি না—জানতে চাইলে শাকিবের সোজাসাপটা উত্তর মাঝেমধ্যে মিস করি তাকে। তবে এখন আর যোগাযোগ নেই। যোগাযোগ আর করতে চাইনি। তার সেই আগের বাসার সামনে দিয়ে এখনো আমার যাতায়াত হয়, কিন্তু তার খোঁজ জানি না। সে আসলে অনেক ভালো কিছু ডিজার্ভ করে। তবে এখন আর নিজের এই সম্পর্কগুলো নিয়ে কোনো কথা বলতে চাইলেন না তিনি।

 

×