রাতে ভালো ঘুম হওয়ার জন্য কি খাবেন , কি করবেন
রাতে স্বাস্থ্যকর খাবার মানে হল সেইসব খাবার যা আমাদের শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারগুলো সাধারণত ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ হয়। অন্যদিকে, চিনি, অতিরিক্ত লবণ এবং ফ্যাটযুক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়া উচিত ভালো ঘুম হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য।
শারিরীক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন সঠিক ঘুম। তবে দিন শেষে রাতে ঘুম কেমন হবে সেটি নির্ভর করে আমাদের দৈনন্দিক জীবনযাত্রা ও খাবারের ওপর। ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজন সঠিক সময়ে ঘুম ও মানসিক প্রশান্তির। এছাড়া দৈনন্দিক খাবারের বিষয়টিতো রয়েছেই।
খাবারের প্রভাব আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি কাজ করে। ঘুম ভালো হবে, নাকি খারাপ- সেটিও নির্ভর করে খাবারের ওপর। আমরা জানি যে চা-কফি পানে আমাদের ঘুমে প্রভাব পড়ে, তবে শুধু চা-কফি নয়, আরও অনেক খাবারই আছে যা আমাদের ঘুমে প্রভাব ফেলে। মনে রাখবেন, খাবার ও ঘুম আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
প্রতিদিনের কাজ সঠিক ভাবে করার জন্য রাতে প্রয়োজন ঠিকমতো ঘুম। কারণ ঘুম পরবর্তী কাজের জন্য আপনার শরীরকে তৈরি করে দিবে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার রাতের ঘুম ভালো হবে। আমাদের শরীরে মেলাটোনিন ও কর্টিসল হরমোন নিঃসরণ হয়। ফলে রাতে ভালো ঘুম হয়।
স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচনে কিছু বিষয় মনে রাখা ভালো : ফল ও সবজি : প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ফল ও শাকসবজি খান, যা ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবারের ভালো উৎস।

তাই চলুন জেনে নিই কোন খাবার খেলে রাতে ভালো ঘুম হতে পারে :
গরম দুধ : রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ খেতে পারেন। এটি রাতে ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। এছাড়া দুধে বিদ্যমান অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপটোফ্যান ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।
ডিম : ডিমে আছে ভিটামিন ডি। মস্তিষ্কে যে অংশের নিউরন ঘুমাতে সাহায্য করে, ডিমের ভিটামিন ডি সেখানে কাজ করে। ভিটামিন ডির ঘাটতি থাকলে সহজে ঘুম আসে না।
মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুকে বলা হয় ‘ঘুমের মাসি’। এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম ঘুমাতে সাহায্য করে।
কাঠ বাদাম : কাঠবাদাম মেলাটোনিনের উৎস। ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন, যা আমাদের দেহঘড়িকে নিয়ন্ত্রণ করে। কাঠবাদামে আরও আছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয়। তাই ভালো ঘুমের জন্য রাতে একমুঠো কাঠবাদাম খেতে পারেন।
কলা : কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। খনিজ উপাদানগুলোর মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম এমন একটি উপাদান, যা পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে ঘুম ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মধু : মধু সেরেটোনিন ও মেলাটোনিন তৈরি করে। নিয়মিত মধু খেলে ভালো ঘুম হয়।
সাদা ভাত : ভাত বলতে আমরা সাধারণভাবে সাদা ভাতকে বুঝি, যা আমাদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় হুট করে। এর কারণে ঘুম ভালো হয়।
তেলযুক্ত মাছ : তেলযুক্ত মাছে থাকে ভিটামিন ডি এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। ঘুমের আবেশ আনতে কাজে আসে এ দুটি উপাদান। ভালো ঘুমের জন্য রাতে তেলযুক্ত মাছ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।
নিয়মিত শরীরচর্চা : প্রতিদিনের শারিরীক পরিশ্রম ও শরীরচর্চা আপনাকে সুস্থ্য থাকতে সাহায্য করে। এছাড়া মানসিক অবসাদও দূর করে। এতে করে রাতে ভালো ঘুম হয়।

সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত








