আজ তাঁর অষ্টম মৃত্যু বার্ষিকী
নায়ক রাজ রাজ্জাক : আমরা যেনো তাঁরে ভুলে না যাই
আজ বাংলাদেশের চলচ্চিতত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়ক রাজ রাজ্জাকের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী । চলচ্চিত্র পত্রিকা চিত্রালীর সম্পাদক আহমদ জামান চৌধুরী তাকে নায়ক রাজ উপাধি দিয়েছিলেন।
নায়ক রাজ রাজ্জাকের আসল নাম আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৪২ সালের ২৩শে জানুয়ারি রাজ্জাক পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় স্বরসতী পূজা চলাকালীন সময়ে মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় চরিত্রে।
শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়ক রাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা।
প্রথমদিকে রাজ্জাক তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশনে “ঘরোয়া” নামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পান। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি সালাউদ্দিন প্রোডাকশন্সের ১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন এবং কার বউ, ডাক বাবু, আখেরী স্টেশন-সহ আরও বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৬৬ সালে জহির রায়হান পরিচালিত বেহুলা চলচ্চিত্রে সুচন্দার বিপরীতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। এতে লখিন্দর চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
এই সময়ে সুচন্দার বিপরীতে তিনি আমজাদ হোসেন পরিচালিত জুলেখা (১৯৬৭) ও সংসার (১৯৬৮), রহিম নেওয়াজ ও নূরুল হক পরিচালিত দুই ভাই (১৯৬৮), নুরুল হক বাচ্চু পরিচালিত কুচবরণ কন্যা (১৯৬৮), রহিম নেওয়াজ পরিচালিত মনের মত বউ (১৯৬৯) এবং আমির হোসেন পরিচালিত রোম্যান্টিকধর্মী যে আগুনে পুড়ি (১৯৭০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। রাজ্জাক ১৯৬৮ সালে সুভাষ দত্ত পরিচালিত আবির্ভাব চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জুটি গড়েন কবরীর সাথে।

অভিনয়জীবনে তিনি বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জীবন থেকে নেয়া, ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, আলোর মিছিল, অশিক্ষিত, ছুটির ঘণ্টা এবং বড় ভালো লোক ছিলসহ মোট ৩০০টি বাংলা ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের পাশাপাশি ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।

সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত








