শিরোনাম:

ইয়ামাল বললেন, ‘মেসির পথের পথিক হতে চাই’

ইয়ামাল বললেন, ‘মেসির পথের পথিক হতে চাই’

লামিনে ইয়ামালের পেশাদার ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরও একটি সাফল্যের পলক। মাঠে নিয়মিত জাদুকরী পারফরম্যান্সে ফুটবলপ্রেমীদের বুঁধ করে রাখা স্প্যানিশ তারকা উইঙ্গার এখন ‘খেলাধুলার অস্কার’ খ্যাত দুটি লরিয়াস পুরস্কারের মালিক। বর্ষসেরা তরুণ ক্রীড়াবিদের পুরস্কার উঠেছে বার্সেলোনার ১৮ বছর বয়সী স্প্যানিশ উইঙ্গারের হাতে। পুরস্কার জেতার পর তিনি লিওনেল মেসিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা অ্যাথলেটের আসনে বসালেন।

এবারের লরিয়াস বর্ষসেরা পুরস্কার অনুষ্ঠানে আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল টেনিস। শীর্ষ দুই পুরস্কারের দুটিই নিজেদের করে নিয়েছেন দুই টেনিস তারকা। বর্ষসেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন স্প্যানিশ টেনিস তারকা কার্লোস আলকারাজ এবং বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা।

বিভিন্ন খেলার সেরাদের সম্মানিত করতে লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডসের ২০২৬ আসর বসেছিল। যেখানে আবারও আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন ইয়ামাল। লরিয়াস একাডেমি তাকে এবার ‘লরিয়াস ওয়ার্ল্ড ইয়াং স্পোর্টসপারসন অফ দ্য ইয়ার’ সম্মানে ভূষিত করে।

পুরস্কার হাতে নিয়ে ইয়ামাল বলেন, ‘প্রথম অ্যাথলেট হিসেবে সেরা তরুণ ক্রীড়াবিদের এই পুরস্কার পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। এটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের।’ লরিয়াস একাডেমি, তাকে ভোট দেওয়া কিংবদন্তি খেলোয়াড় এবং তার পরিবার ও কাছের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এরপর ইয়ামাল কথা বলেন ফুটবলের সেই একমাত্র জাদুকরকে নিয়ে, যিনি লরিয়াসের বর্ষসেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি মেসিকে নিয়ে ইয়ামাল বলেন, ‘আপনি যখন বুঝতে পারবেন একজন খেলোয়াড় কেবল নিজের খেলার নয়, বরং গোটা ক্রীড়া জগতের কিংবদন্তি—তখন মেসির নামই আসে। আমার চোখে তিনি ইতিহাসের সেরা ফুটবলার। আর যদি তিনি সর্বকালের সেরা অ্যাথলেট নাও হন, তবুও সেরাদের যে সংক্ষিপ্ত তালিকা, সেখানে তিনি অবশ্যই থাকবেন।’

২০২০ সালে লুই হ্যামিল্টনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথমবার লরিয়াস বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছিলেন মেসি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের পর তিনি আবারও এই সম্মাননা জেতেন।

মেসিকে নিজের আদর্শের চেয়েও বেশি কিছু মনে করা ইয়ামাল আরও যোগ করেন, ‘তিনি (মেসি) কেবল একজন আদর্শ নন, তার চেয়েও বড় কিছু। আমার মনে হয়, ক্যারিয়ারে তিনি যা কিছু অর্জন করেছেন তার জন্য সবাই তাঁকে সম্মান করে। আমরা যখন ছোটবেলায় পার্কে বা স্কুলে ফুটবল খেলতাম, তখন আমাদের প্রত্যেকের শৈশবের অংশ হয়ে ছিলেন তিনি। আমি শুধু আশা করি, তাঁর দেখানো পথেই যেন এগিয়ে যেতে পারি।’

২০২৫ সালে বার্সেলোনাকে লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং কোপা দেল রে জেতাতে অনবদ্য ভূমিকা রাখার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও ক্লাবের সাফল্যে মূল কারিগর ছিলেন লামিন ইয়ামাল। এই অসামান্য পারফরম্যান্স লরিয়াস একাডেমির পক্ষ থেকে তাঁকে আবারও এক বিশেষ স্বীকৃতি এনে দেয়। লরিয়াসের এই মঞ্চ তাঁর জন্য নতুন কিছু ছিল না, মাত্র এক বছর আগেই এই আসরে ইতিহাস গড়েছিলেন এই স্প্যানিশ তরুণ।

ইউরো ২০২৪-এ স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখায় গতবার ইয়ামালকে ‘লরিয়াস ওয়ার্ল্ড ব্রেকথ্রু অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে মনোনীত করা হয়। ফুটবল এবং ক্রীড়াবিশ্বে ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গারের সুদূরপ্রসারী প্রভাবেরই যেন প্রতিফলন ছিল এই পুরস্কারটি। ২০০০ সালে এই পুরস্কার চালুর পর ফুটবলার হিসেবে কেবল জুড বেলিংহাম (২০২৪ সালে) এটি জিতেছিলেন; ঠিক তার পরের বছরই ইয়ামাল সেই ধারা বজায় রাখেন।

পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ইয়ামাল বললেন, ‘মেসির পথের পথিক হতে চাই’

দেশে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত কোথাও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি এবং পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও কঠোর নজরদারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।

তিনি বলেন, “এবারের পরীক্ষায় আমরা মাঠপর্যায়ে ঘুরে দেখেছি, সবখানেই শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। প্রশাসন, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”

প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এবার কোথাও প্রশ্নফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এমন কোনো সম্ভাবনাও নেই। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ইয়ামাল বললেন, ‘মেসির পথের পথিক হতে চাই’

জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির।

বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহতকরণ, জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে আলোচনা হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা দেখতে চায়।

আমিরে জামায়াত বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি দায়বদ্ধ। জামায়াত গুণগত পরিবর্তন ও সংস্কার চায়, যাতে দেশে আর একদলীয় শাসন ফিরে না আসে।’

এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশের টেকসই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।

ইইউ’র মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইয়ামাল বললেন, ‘মেসির পথের পথিক হতে চাই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে।

তিনি বলেন, ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে চায়।

মন্ত্রীর সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূতও নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালি দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে চলমান রাখাসহ এটিকে বিস্তৃত করতে আগ্রহী।

তিনি জানান, ইতালির বর্তমান সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। অভিবাসন ইস্যুটি দেশটির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতালিতে আগামী জুন মাস থেকে নতুন অভিবাসন নীতি কার্যকর হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইতালির ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের অভিনন্দন পত্র মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন এবং মন্ত্রীকে ইতালি সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ বছরের সুবিধাজনক সময়ে ইতালি সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ বিষয়ক পরিচালক অনির্বাণ নিয়োগী এবং ইতালি দূতাবাসের হেড অব কনস্যুলার চ্যান্সেরি লরা শেলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

×