শিরোনাম:

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার সতর্কতা জারিতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিকসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জানা যায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনও কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

বেবিচকের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব বিমানবন্দরে রাতে বিমান ওঠানামা করে না সেগুলোকেও রাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সরকারি স্থাপনায় একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি দাফতরিক চিঠির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই সতর্কতা জারি করা হয়।

পুলিশ সদর দফতরের অভ্যন্তরীণ ওই চিঠির তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তারা বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে সুসমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জুলাই যোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

জুলাই যোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনছেন প্রধানমন্ত্রী ।ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মাথায় গুলির ক্ষত ও শরীরে ৩৬টি স্প্লিন্টারের চিহ্ন বহনকারী জুলাই আন্দোলনের অকুতোভয় যোদ্ধা শেখ আজিজুর রহমান। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আজিজুরের জীবনসংগ্রামের বিবরণ শোনেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

মাথায় গুলির গুরুতর ক্ষত এবং শরীরে বহন করা অন্তত ৩৬টি স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শেখ আজিজুর রহমান। আন্দোলনের ময়দানে নিজের মাথার রক্তক্ষরণ ঠেকাতে যে জাতীয় পতাকাটি বেঁধেছিলেন, সেই রক্তে ভেজা ঐতিহাসিক পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাইযোদ্ধার স্বীকৃতি’—শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে আজিজুরের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।

সাক্ষাৎ শেষে শেখ আজিজুর রহমান তার উচ্ছ্বাস ও অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। রক্তমাখা প্রিয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারাটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত এবং এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

উল্লেখ্য, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সন্তান শেখ আজিজুর রহমান সরকারি বাংলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য।

 

আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আরও ২৩ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিশেষ ফ্লাইটে আরও ২৩ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন সরকার। তারা সকাল ১১টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেটের তিনজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দারাও রয়েছেন।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার দীর্ঘ, ব্যয়বহুল ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে জনপ্রতি গড়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় বিপুল অর্থ ব্যয় করেও শেষ পর্যন্ত তারা অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় পড়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। তাই অনিয়মিত পথে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

ফেরত আসা ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রাজিল রুট ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)-এর ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে যান। অন্যরা টুরিস্ট ভিসায় ব্রাজিলে প্রবেশের পর দালালচক্রের সহায়তায় একই অনিয়মিত রুটে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায়। আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অনিয়মিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের একাধিক দফায় নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ৩৬৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরে ২০ জানুয়ারি ৩৬ জন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৯ জন এবং ৩০ জুলাই ২৩ জন বাংলাদেশি ফেরত আসেন।

আল হাজেন’র পরিচালনায় ‘হাবুর স্কলারশিপ’ ৪০০ পর্বে

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

আল হাজেন’র পরিচালনায় ‘হাবুর স্কলারশিপ’ নাটকের স্টীল

বৈশাখী টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক নাটক ‘হাবুর স্কলারশিপ’ সফলভাবে ৪০০ পর্বের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে প্রচার শুরু হওয়া ‘হাবুর স্কলারশিপ’ ধারাবাহিক নাটকটি দীর্ঘ তিন বছর ধরে দর্শকদের বিনোদন দিয়ে আসছে।

ধারাবাহিকটির টিপু আলম মিলনের গল্পে চিত্রনাট্য করেছেন  আহসান আলমগীর। আর পরিচালনা করেছেন আল হাজেন।

নাটকের কাহিনী : ধারাবাহিকটির গল্প তৈরি হয়েছে হাবু নামের এক গ্রামের ছেলেকে ঘিরে। স্কলারশিপ পেয়ে সে অস্ট্রেলিয়া যায় পড়ালেখা করতে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ছেলেটি ফার্স্ট হয়। হাবু অস্ট্রেলিয়ায় যে পাঁচ বছর পড়ালেখা করে, সেই সময় হাবুর যেকোনো বিপদ-আপদে পাশে এসে দাঁড়ায় তার আরেক বাংলাদেশি সহপাঠী মারজান।

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় হাবুকে অফার করে সে যেন সেখানে ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে জয়েন করে। তবে হাবু তার মেধা দেশের কাজে লাগাতে চায়। তাই সবকিছু উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসে। আগের পর্বগুলো এভাবেই শেষ হয়। নাটকে চেয়ারম্যান দোলন চাপার একের পর এক কূটকচাল জয় করে হাবু এখন নাটকের প্রতিবাদী চরিত্র।

ধারাবুিহক নাটক ”হাবুর স্কলারশিপ’ নাটকের নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন রাশেদ সীমান্ত। এছাড়া অভিনয়ে করেছেন : তানজিকা আমিন, অহনা রহমান, নীলা ইসলাম, শফিক খান দিলু, বিনয় ভদ্র, ফাতেমা হীরা, হায়দার আলী, সাইকা আহমেদ, নেহা মনি প্রমুখ।

হাবুর স্কলারশিপ ধারাবাহিক নাটকটি প্রচারিত হচ্ছে সপ্তাহের মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে। এছাড়াও টিভি পর্দার পাশাপাশি ইউটিউবেও।

×