শিরোনাম:

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিতদের  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্পীদের শপথবাক্য পাঠ করান সদ্য বিদায়ী সভাপতি মিশা সওদাগর। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটির সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণের ৮ নম্বর ফ্লোরে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে ২৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা শিবা সানু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর আরমান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জয় চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।

নতুন কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডি এ তায়েব, সাংগঠনিক সম্পাদক সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ চৌধুরী আবির, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান কমল।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আলীরাজ, কাবিলা, কায়েস আরজু, জেসমিন, নাসরিন, ফরহাদ, শিপন মিত্র, রাকা, চিকন আলী, শিরিন শিলা ও সুশান্ত।

এর আগে গত শুক্রবার দিনভর বিএফডিসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার ভোরে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন নেতৃত্ব।

 

এবার অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিতদের  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। ছবি : হিন্দুস্থান টাইমস

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন। গত ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ অভিযানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছররা (পেলেট) গুলি চালানো এবং দমন-পীড়নের নির্দেশ সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসেছিল বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দীপ বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের রক্ত ঝরানো হয়েছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া সম্ভব নয়। দীপ বলেন, আমি মনে করি, তার (অমিত শাহের) পদত্যাগ করা উচিত।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী একই অভিযোগ তুলে অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করেন একদিন পর।

সিজেপি বিদেশি অর্থায়ন পেয়েছে— এমন অভিযোগও অভিজিৎ দীপ খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, যদি সত্যিই আমরা বিদেশি অর্থ পেয়ে থাকি, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেও অমিত শাহ তা আটকাতে না পারেন, তবে সেটাও তার ব্যর্থতা। তাহলে নিজেকে কী ধরনের ‘চাণক্য’ বলবেন? সেক্ষেত্রেও তার পদত্যাগ করা উচিত।

দীপকে আরও অভিযোগ করেন, তাকে এবং তার পরিবারকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে।

অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বাবা-মাকেও বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দলে যোগ দিন, না হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় সিলেটে এবার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিতদের  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত

এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় সিলেটে এবার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ। ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে দুই দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীস্থ পৌরসভার গেটের সামনের রাস্তায় এবং পরবর্তীতে পাঁচ মাইল বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই হামলায় দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িসহ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়েছে।

ঘটনার পর দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম লেখেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা অডিটোরিয়ামে জুলাই আন্দোলনে নিহত সাত শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে নেতাকর্মীরা বের হওয়ার সময় তাদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এ সময় গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায় বলে দাবি করেছে দলটি।

সার্জিস আলম ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রশাসনের আচরণ পক্ষপাতমূলক ছিল। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এই একই দিন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক আলোচনা সভায় বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের হত্যার বিচার সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারও শেষ করতে হবে। বিচার ও সংস্কার ছাড়া দেশের কারও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নেই।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

আগস্টের শেষ সপ্তাহই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যাবে নতুন কর্মী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিতদের  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত

আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মাহদী আমিন জানান, নতুন কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য হবে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমিয়ে আনা। এজন্য বোয়েসেলের মাধ্যমে স্বল্প খরচে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন কর্মীরা মালয়েশিয়ায় আসা শুরু করবেন এবং পর্যায়ক্রমে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, সরকার শ্রমবাজারকে সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বদ্ধপরিকর। সাধারণ কর্মীরা যাতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় আসতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতেও দুই দেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি বিষয়গুলো দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চলমান আলোচনা শুধু নতুন কর্মী পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার এমন একটি কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে যোগ্য কর্মীরা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং অযৌক্তিক খরচ বা দালালচক্রের হয়রানির শিকার হবেন না।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোর ফল বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে।

 

×