শিরোনাম:

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) নতুন প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে ঢাকার মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এ সময় সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডি প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারিকরা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। শিক্ষাগত জীবনে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।

প্রায় তিন দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। সিআইডির সদরদপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। মাঠ পর্যায়ে পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত দশম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ।

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের সেনাবাহিনীর

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে তারা কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আহমাদ আল জাবের বিমানঘাঁটিতে (Ahmad Al-Jaber Air Base) একটি সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ-এর প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর ২৭তম ধাপে কুয়েতের আহমাদ আল জাবের বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, হামলায় যুদ্ধবিমান রাখার শেল্টার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জামের গুদাম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ইরানের ভাষ্য, ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ ও নজরদারি অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, সম্প্রতি কেশম দ্বীপে একটি আবাসিক বাড়িতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা ওই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেছে।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পরিচালিত ব্যাপক হামলার কারণে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেও ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা প্রতিপক্ষের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ক্ষয়ক্ষতি এবং হতাহতদের প্রকৃত তথ্য গোপন রাখতে কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেছে বলেও দাবি করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

১ আগস্ট ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার শুভ মহরত

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

এমডি ইকবালের পরিচালনায় রাজনীতি ও ক্ষমতার অন্ধকার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হতে যাওয়া গুলশানের চামেলী সিনেমার শুভ মহরত আজ ১ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের পদ্মা হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় ও আলোচিত নির্মাতা মোহাম্মদ ইকবাল বানাচ্ছেন ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমাটি। রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার জীবনের বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে ‘গুলশানের চামেলি’ । নির্মাতা জানালেন, ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে সিনেমার মহরত।

এবার এই সিনেমায় যুক্ত হলেন আজমেরী হক বাঁধন। জানা গেছে, গুলশানের চামেলি সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে দেখা যাবে বাঁধনকে।অভিনেত্রী বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অস্বীকার না করলেও এখনই এ নিয়ে কথা বলতে রাজি নন। জানালেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর জানাবেন বিস্তারিত।

তবে এ সিনেমায় বাঁধনের যুক্ত হওয়া নিয়ে এখনই কথা বলতে রাজি নন নির্মাতা ও অভিনেত্রী।  সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে অভিনয়শিল্পীদের নাম।

এ সিনেমা দিয়ে ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পাখিখ্যাত অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের।

কাহিনী ও পটভূমি : রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একজন যৌনকর্মীকে ঘিরে আবর্তিত অন্ধকার বাস্তবতার গল্প।গুলশানের চামেলি সিনেমার গল্প একজন যৌনকর্মীকে ঘিরে, কোনো অপরাধ না করেও বারবার ক্ষমতার নির্মম খেলার শিকার হয় সে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। আগামী বছর কোনো এক ঈদে গুলশানের চামেলি মুক্তির পরিকল্পনা করছেন নির্মাতা।

আজমেরী হক বাঁধনকে সবশেষ দেখা গেছে তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায়। এ ছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর অভিনীত ‘মাস্টার’ ও ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। গত ফেব্রুয়ারিতে নেদারল্যান্ডসের রটারডাম ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিগ স্ক্রিন কম্পিটিশনে সেরা নির্বাচিত হয় রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের মাস্টার। এদিকে এ বছরের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা পেয়েছে রুবাইয়াত হোসেনের দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড।

হবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম নিরাপত্তার জন্য থানার পাশের সোনালী ব্যাংক ভবনে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায় এবং রাতে পুলিশি নিরাপত্তায় মৌলভীবাজারে পৌঁছে দেয়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভার কোর্ট মসজিদ এলাকার সামনে এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।

বাদীর দাবি, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় যোগ দিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরীসহ ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, হামলায় জেলা ছাত্রদলের নেতা মাহফুজ চৌধুরী, মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের লোহার রড, রামদা, ফিকল ও ইটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সংঘর্ষের সময় বাদীর আইফোন-১৩, মোজাক্কির হোসেন ইমনের আইফোন-১১, মাহফুজ চৌধুরীর আইফোন-১৪, মাহমুদুল হাসান গাজীর স্যামসাং এস-২২, রক্সি ইসলামের কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা এবং শিমুল হাসানের আইফোন-১৫ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা সরে যায় এবং আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

×