কুড়িগ্রামে বরাদ্দ থাকলেও ত্রাণ পৌঁছায়নি বানভাসীদের হাতে
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ থাকলেও তা পাননি বানভাসিরা। চাল গুদামেই বন্দি রয়েছে এবং সামান্য কিছু শুকনো খাবার বিতরণ করেই কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ থাকলেও বন্যাকবলিত মানুষের হাতে তা পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বানভাসীদের জন্য বরাদ্দ ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল উত্তোলনের পরও গুদামেই পড়ে রয়েছে।
বন্যাকবলিত নয়, এমন দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে চাল উত্তোলন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অবহেলার কারণে জুন মাসের টিসিবির ৪১ হাজারের বেশি উপকারভোগীর জন্য বরাদ্দ চালও ফেরত গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বন্যা কবলিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অবহেলায় ও খামখেয়ালীপনায় এবার বন্যার্তারা ত্রাণের চাল পায়নি। উত্তোলনকৃত চাল কোথায় এবং কিভাবে আছে আমরা জানি না।
রায়গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান দীপ জানান, বন্যায় আমার ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে।এর মধ্যে ফান্দের চর অন্যতম। ওই সময় বার বার যোগাযোগ করেও বন্যার্তদের জন্য কিছু পাইনি। শুনেছি চাল বরাদ্দ হয়েছে। তবে আমরা এখনো পাইনি।
রামখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বলেন, আমার ইউনিয়ন কখনো বন্যা কবলিত হয় না। ইউএনও’র নির্দেশে বন্যাকবলিতদের বরাদ্দের চাল আমার নামে ১৫ মেট্রিক টন এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের প্রশাসক ফিরোজ কবিরের নামে ১৫ মেট্রিক টন চাল উত্তোলন করে গুদামেই রাখা হয়েছে। চাহিবামাত্র সমুদয় চাল আমরা ফেরত দিবো।
টিসিবি ডিলারের প্রতিনিধি হাবিব বলেন,টিসিবির পণ্যের সাথে সাথে ০৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়। কিন্তু গত জুন মাসে ইউএনও’র সময় মতো ছাড়পত্র না দেয়ায় উপজেলার ৪১হাজার ১০২জন টিসিবি গ্রাহকের ২লাখ ০৫হাজার ৫১০ কেজি চাল ফেরত গেছে। এজন্য আমাদের অনেক হেনস্তার স্বীকার হতে হয়েছে

বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ‘ল ফার্ম’ নিয়োগ দিয়েছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী














